৪ সন্তানের ৩ জনকেই বিসিএস ক্যাডার বানিয়েছেন এই মা

বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে সন্তান মানুষ করা খুবই কঠিন। টাকা-পয়সার চেয়েও তাদের সময় দেয়াটা বেশি প্রয়োজন। সন্তানদের সফলতাই মা-বাবার সফলতা। চাকরি বা টাকা পয়সা বড় বিষয় নয় বরং সন্তান মানুষ করতে হলে অর্থকড়ি নয় তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে— কথাগুলো  তাহমিনা বেগমের। তিনি একজন আজ সফল মা।

মে মাসের দ্বিতীয় রোববার হলো মা দিবস। আজকের এইদিনে নিজের কষ্টগুলো সুখ ছাড়া আর কিছু মনে করছেন না তাহমিনা বেগম। তিনি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নিভৃত পল্লী নহাটা গ্রামের বাসিন্দা। সন্তানের জন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন সেই মা। আজ তারা চার সন্তানই প্রতিষ্ঠিত। নিজের ত্যাগ বিফলে যায়নি।

আরো পড়ুন  মেধাতালিকায় দ্বিতীয় হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছেন না বৃষ্টি

তাহমিনা বেগমের তৃতীয় সন্তান যশোর মণিরামপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রাকিব হাসান জানান, তারা চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষে বিসিএস ক্যাডার। অপরজন স্কলারশিপে বর্তমানে ইউরোপ প্রবাসী।

তাহমিনা বেগমের পুত্রবধূ যশোরের সহকারী ভূমি কমিশনার রোসলীনা পারভীন বলেন, বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে তাহমিনা বেগমের মতো শাশুড়ি পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

আরো পড়ুন  ১০টি কৌশল যা পড়া মনে রাখতে সাহায্য করবে!

জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালক ফাতেমাতুজ জহুরা জানান, তাহমিনা বেগম এসএসসি পাস করে ১৯৯১ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা সরকারি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় সন্তানদের মানুষ করার স্বার্থে সরকারি চাকরিটি ছেড়ে দেন তিনি। তবে আজ তিনি সার্থক। মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের পক্ষ থেকে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।

Dhaka News Time