শিক্ষা দিবসের মর্মার্থ জানতে হবে এবং অধিকার-দেশত্ববোধে প্রজ্ঞাবান হতে হবে —– আবু-নোমান।

 

রূপকথার গল্পের মতো বলতে হয়।
সে বহুকাল আগের কথা,একসময় মানুষ মনুষত্ব তৈরী কিংবা জ্ঞানের জন্য শিক্ষা অর্জন করতো।
কিন্তু এখন ক্যারিয়ার বা ভাল চাকরির জন্য শিক্ষা অর্জন করে।
শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড। যে জাতী যত শিক্ষিত, সে জাতী তত উন্নত। শিক্ষা মানুষের মানবিক বিকাশ ঘটায়।
যে শিক্ষা মানুষের মনুষ্যত্ব পরিবর্তন/উন্নয়ন করতে পারে না, সে মূলত শিক্ষিত নয়।

মানব শিশু জন্মলগ্ন থেকে আমরণ শিক্ষা অর্জন করতে পারে। পারিবারিক, সামাজিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ শিক্ষা ধাপে ধাপে অর্জন করে। সে জ্ঞানবান ও অনিন্দ্য সুন্দর প্রজ্ঞার অধিকারী হয়।
তবে শিক্ষা অনেকের নৈতিক ও মোরালিটি পরিবর্তন করতে পারে না। আবার কম শিক্ষিত লোকও নৈতিক প্রজ্ঞাবান হয়।

আমাদের শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো; শিক্ষিত, নম্র,ও প্রজ্ঞাবান জাতি গঠন করা। যে পথ দেখাবে শান্তিতে, সংগ্রামে, দেশের সার্বিক উন্নয়নে।
আর এজন্য চাই সুন্দর পরিবেশ, পর্যাপ্ত সুবিধা। যাতে একটি ছাত্র তার সর্বোচ্চ দেশ ও জাতিকে দিতে পারে।
আবার একটু ভুল ব্যবস্থা শিক্ষার্থীকে তৈরি করে অকাল কুষ্মাণ্ড।

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬২ সালোর এই দিনে এদেশের ছাত্রসমাজ “হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন “” এর বিরুদ্ধাচরণ ও রাজপথ প্রকম্পিত করেছিল। জানান দিয়েছিল ছাত্র সমাজের স্পৃহা।

শিক্ষিতরা রুখে দাড়াবে মাদক,জঙ্গিবাদ,যৌতুক, অন্যায়, শোষণ, বঞ্চনার বিরুদ্ধে। কাজ করবে নিজেদের অধিকার আদায়ে।
নিজেদের অধিকার আদায়ে তৎপর না হলে মূল শিক্ষা অর্জন তথা সুশৃঙ্খলিত সমাজ গঠন সম্ভব নয়।

কারন আজকের শিক্ষার্থী আগামীর দেশের চালিকাশক্তি তথা রাজনিতীবীদ, লেখক,সাংবাদিক, এলিট।
এজন্য শিক্ষার্থীরা এখন অধিকার আদায়ে তৎপর না হলে, ভবিষ্যতে দেশের চালিকাশক্তি হয়ে, দেশের অধিকার আদায় করতে পারবে না।
হবে ” সাক্ষী গোপাল।

এজন্য শিক্ষার্থীদের জানতে হবে নিজের অধিকার, শিক্ষা দিবসের মর্মার্থ।
সর্বোপরি দেশপ্রেমী হতে হবে, দেশের জন্য কাজ করতে হবে।( সংক্ষিপ্ত)

আবু-নোমান

তরুন কবি ও কলামিস্ট।

বন্ধুদের জন্য শেয়ার করে দিন

About abu -noman

abu -noman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।